| বঙ্গাব্দ

মেসির বিদায়ের দিনেই অবসরের ঘোষণা সাবেক বার্সা সতীর্থ পেদ্রোর

রিপোর্টারের নামঃ BDS Bulbul Ahmed
  • আপডেট টাইম : 07-10-2026 ইং
  • 929051 বার পঠিত
মেসির বিদায়ের দিনেই অবসরের ঘোষণা সাবেক বার্সা সতীর্থ পেদ্রোর
ছবির ক্যাপশন: মেসির বিদায়ের দিনেই অবসরের ঘোষণা

মেসির বিদায়ের দিনেই বুটের ফিতা চিরতরে বাঁধলেন বার্সেলোনার সাবেক সতীর্থ পেদ্রো রদ্রিগেজ

প্রতিবেদক: বুলবুল আহমেদ

একদিকে আর্জেন্টিনার জার্সিতে লিওনেল মেসির বর্ণাঢ্য আন্তর্জাতিক ফুটবল অধ্যায়ের মহাকাব্যিক সমাপ্তি—অন্যদিকে একই দিনে পেশাদার ফুটবলকে বিদায় জানালেন মেসির একসময়ের বিশ্বস্ত বার্সেলোনা সতীর্থ পেদ্রো রদ্রিগেজ। বুধবার (০৭ অক্টোবর) আর্জেন্টিনার ‘এস্তাদিও মনুমেন্তাল’ স্টেডিয়ামে যখন মেসি তার শেষ আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলছেন, ঠিক একই দিনে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজের অবসরের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিয়ে বুটজোড়া চিরতরে তুলে রাখার কথা জানান এই স্প্যানিশ ফরোয়ার্ড।

আবেগঘন বিদায় ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক দীর্ঘ ও আবেগঘন বার্তায় পেদ্রো জানান, তার বর্ণাঢ্য খেলোয়াড়ি জীবনের এক নতুন অধ্যায়ে পা রাখার সময় এখনই। শৈশব থেকে লালন করা ফুটবলীয় স্বপ্নগুলো পুরোপুরি পূরণ করতে পারায় নিজের গভীর গর্বের কথা জানান তিনি। পাশাপাশি দীর্ঘ এই যাত্রায় কোচ, সতীর্থ এবং বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে থাকা সমর্থকসহ যারা তাকে প্রতিনিয়ত সহযোগিতা ও অনুপ্রেরণা যুগিয়েছেন, তাদের সবার প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এই অভিজ্ঞ উইঙ্গার।

বার্সেলোনার সোনালি যুগের অবিচ্ছেদ্য অংশ

বার্সেলোনার বিখ্যাত লা মাসিয়া একাডেমি থেকে উঠে আসা পেদ্রো ক্লাবটির ইতিহাসের অন্যতম সফল ও স্বর্ণালী সময়ের সাক্ষী। কোচ পেপ গার্দিওলার দুর্দান্ত ট্যাকটিক্যাল সিস্টেমের অধীনে বার্সেলোনার হয়ে ঐতিহাসিক ‘ট্রেবল’ ও অভাবনীয় ‘সেক্সটাপল’ (ছয়টি ট্রফি জয়) জয়ের গৌরব অর্জন করেন তিনি। বার্সার মূল দলে দীর্ঘ সাত বছরের বর্ণাঢ্য ক্যারিয়ারে ৩২১টি অফিসিয়াল ম্যাচ খেলে ৯৯টি গোল করার পাশাপাশি ক্লাবটির জার্সিতে মোট ২০টি মেজর ট্রফি নিজের শোকেসে তোলেন পেদ্রো।

স্পেন ও ইউরোপীয় ফুটবলে সাফল্যের মুকুট

শুধু ক্লাব ফুটবলেই নয়, পেদ্রো স্পেনের ফুটবলের সেই সোনালি প্রজন্মের অন্যতম প্রধান স্তম্ভ ছিলেন। ২০১০ সালে দক্ষিণ আফ্রিকা বিশ্বকাপে স্পেনের প্রথম বিশ্বকাপ জয়ী দলের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সদস্য ছিলেন তিনি। এর ঠিক দুই বছর পর ২০১২ সালের ইউরো চ্যাম্পিয়নশিপ জয়ী দলেও নিজের অবদানের স্বাক্ষর রাখেন এই ফরোয়ার্ড। ফলস্বরূপ, ক্লাব এবং জাতীয় দল—উভয় মাধ্যমেই ফুটবলের প্রায় সব বড় শিরোপা জয়ের অনন্য নজির গড়েন তিনি।

বার্সেলোনা অধ্যায় শেষ করে পেদ্রো পাড়ি জমান ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের পরাশক্তি চেলসিতে, যেখানে প্রিমিয়ার লিগ ও ইউরোপা লিগ জয়ে বড় ভূমিকা রাখেন। পরবর্তীতে ইতালির শীর্ষ লিগ সিরি আ-তে রোমা এবং সবশেষ লাজিওর হয়ে খেলে নিজের বর্ণাঢ্য পেশাদার ফুটবল ক্যারিয়ারের ইতি টানলেন তিনি।

বিদায়ী বার্তায় বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে বার্সেলোনার প্রতি নিজের অকৃত্রিম ভালোবাসার কথা জানান পেদ্রো। ইতিহাসের অন্যতম সেরা সেই বার্সেলোনা দলের অংশ হতে পারাটাকে নিজের জীবনের অন্যতম বড় সৌভাগ্য হিসেবে উল্লেখ করে তিনি জানান, ক্লাবটির প্রতি তার সমর্থন এবং ভালোবাসা আজীবন অটুট থাকবে। একই দিনে বিশ্ব ফুটবলের দুই মহাতারকার বিদায় ফুটবলপ্রেমীদের জন্য এক অদ্ভুত নস্টালজিয়া ও শূন্যতার জন্ম দিল।

আরও খবর জানতে ভিজিট করুন: বাংলাদেশ প্রতিদিন

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
রোনাম: মধ্যপ্রাচ্যের তীব্র উত্তেজনা ও ইরান সংকট সত্ত্বেও বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম ১০০ ডলারের নিচে: নেপথ্যের বাজার বিশ্লেষণমেটা ডিসক্রিপশন: মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধাবস্থা ও ইরান সংকট সত্ত্বেও বৈশ্বিক বাজারে অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের দাম ব্যারেলে ১০০ ডলারের নিচে অবস্থান করছে। অর্থনৈতিক মন্দা ও উৎপাদন বৃদ্ধির নানা কারণ বিশ্লেষণ।অনলাইন ডেস্কমধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান সামরিক সংঘাত এবং ইরান কেন্দ্রিক চরম ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা সত্ত্বেও আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারে প্রতি ব্যারেল অপরিশোধিত তেলের দাম মনস্তাত্ত্বিক ১০০ ডলারের নিচেই স্থিতিশীল রয়েছে। চলতি সপ্তাহে লন্ডনের ব্রেন্ট ক্রুড এবং মার্কিন টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (WTI)—উভয় মানদণ্ডেই তেলের দর প্রত্যাশার চেয়ে কম সূচকে কেনাবেচা হতে দেখা গেছে। আন্তর্জাতিক জ্বালানি বিশ্লেষকদের মতে, বৈশ্বিক অর্থনৈতিক মন্দার আশঙ্কা, চাহিদার তুলনায় সরবরাহ বৃদ্ধি এবং প্রধান প্রধান অর্থনৈতিক পরাশক্তিগুলোতে জ্বালানি ব্যবহারের শ্লথগতির কারণে সরবরাহ শৃঙ্খলে বড় ধরনের ব্যাঘাত ঘটা সত্ত্বেও বাজারে তেলের দাম লাগামহীন হতে পারেনি।তেলের দাম না বাড়ার প্রধান অনুঘটকসমূহমধ্যপ্রাচ্যের স্পর্শকাতর পরিস্থিতির পরও আন্তর্জাতিক কমোডিটি এক্সচেঞ্জে তেলের দর প্রত্যাশার চেয়ে নিয়ন্ত্রণে থাকার পেছনে বিশ্ব অর্থনীতির কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ নিয়ামক কাজ করছে।চীন ও ইউরোপের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির গতি শ্লথ হওয়ায় জ্বালানি তেলের বিশ্বব্যাপী সার্বিক ব্যবহার আগের চেয়ে কমেছে। পাশাপাশি, ওপেক প্লাস (OPEC+) জোটের বাইরে থাকা দেশগুলোর অব্যাহত অতিরিক্ত উৎপাদন বাজারে চাহিদার ঘাটতি তৈরি হতে দেয়নি।দর নিয়ন্ত্রণে থাকার মূল কারণসমূহজ্বালানি বাজার বিশেষজ্ঞদের মতে, দর ব্যারেলে ১০০ ডলারের নিচে থাকার নেপথ্যে যেসব প্রধান কারণ রয়েছে:যুক্তরাষ্ট্র ও অপেক-বহির্ভূত দেশের উৎপাদন: যুক্তরাষ্ট্র, ব্রাজিল ও গায়ানার মতো দেশগুলোতে তেলের রেকর্ড পরিমাণ উৎপাদন বাজারের ভারসাম্য রক্ষা করছে।চীনের বাণিজ্যিক মন্দা: বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ তেল আমদানিকারক দেশ চীনে শিল্প উৎপাদন ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি প্রত্যাশার চেয়ে ধীরগতির হওয়ায় চাহিদায় ঘাটতি।মার্কিন সুদের হার ও সুদের প্রভাব: উচ্চ সুদের হারের কারণে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যিক মন্দার প্রভাব এবং অর্থনৈতিক স্থবিরতা তেলের দামে অতিরিক্ত চাপ তৈরিতে বাধা সৃষ্টি করেছে।এক নজরে আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজার পরিস্থিতিবিষয়বিবরণবাজার স্থিতিপ্রতি ব্যারেল তেলের দাম ১০০ ডলারের নিচেউত্তেজনার অঞ্চলমধ্যপ্রা

রোনাম: মধ্যপ্রাচ্যের তীব্র উত্তেজনা ও ইরান সংকট সত্ত্বেও বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম ১০০ ডলারের নিচে: নেপথ্যের বাজার বিশ্লেষণমেটা ডিসক্রিপশন: মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধাবস্থা ও ইরান সংকট সত্ত্বেও বৈশ্বিক বাজারে অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের দাম ব্যারেলে ১০০ ডলারের নিচে অবস্থান করছে। অর্থনৈতিক মন্দা ও উৎপাদন বৃদ্ধির নানা কারণ বিশ্লেষণ।অনলাইন ডেস্কমধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান সামরিক সংঘাত এবং ইরান কেন্দ্রিক চরম ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা সত্ত্বেও আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারে প্রতি ব্যারেল অপরিশোধিত তেলের দাম মনস্তাত্ত্বিক ১০০ ডলারের নিচেই স্থিতিশীল রয়েছে। চলতি সপ্তাহে লন্ডনের ব্রেন্ট ক্রুড এবং মার্কিন টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (WTI)—উভয় মানদণ্ডেই তেলের দর প্রত্যাশার চেয়ে কম সূচকে কেনাবেচা হতে দেখা গেছে। আন্তর্জাতিক জ্বালানি বিশ্লেষকদের মতে, বৈশ্বিক অর্থনৈতিক মন্দার আশঙ্কা, চাহিদার তুলনায় সরবরাহ বৃদ্ধি এবং প্রধান প্রধান অর্থনৈতিক পরাশক্তিগুলোতে জ্বালানি ব্যবহারের শ্লথগতির কারণে সরবরাহ শৃঙ্খলে বড় ধরনের ব্যাঘাত ঘটা সত্ত্বেও বাজারে তেলের দাম লাগামহীন হতে পারেনি।তেলের দাম না বাড়ার প্রধান অনুঘটকসমূহমধ্যপ্রাচ্যের স্পর্শকাতর পরিস্থিতির পরও আন্তর্জাতিক কমোডিটি এক্সচেঞ্জে তেলের দর প্রত্যাশার চেয়ে নিয়ন্ত্রণে থাকার পেছনে বিশ্ব অর্থনীতির কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ নিয়ামক কাজ করছে।চীন ও ইউরোপের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির গতি শ্লথ হওয়ায় জ্বালানি তেলের বিশ্বব্যাপী সার্বিক ব্যবহার আগের চেয়ে কমেছে। পাশাপাশি, ওপেক প্লাস (OPEC+) জোটের বাইরে থাকা দেশগুলোর অব্যাহত অতিরিক্ত উৎপাদন বাজারে চাহিদার ঘাটতি তৈরি হতে দেয়নি।দর নিয়ন্ত্রণে থাকার মূল কারণসমূহজ্বালানি বাজার বিশেষজ্ঞদের মতে, দর ব্যারেলে ১০০ ডলারের নিচে থাকার নেপথ্যে যেসব প্রধান কারণ রয়েছে:যুক্তরাষ্ট্র ও অপেক-বহির্ভূত দেশের উৎপাদন: যুক্তরাষ্ট্র, ব্রাজিল ও গায়ানার মতো দেশগুলোতে তেলের রেকর্ড পরিমাণ উৎপাদন বাজারের ভারসাম্য রক্ষা করছে।চীনের বাণিজ্যিক মন্দা: বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ তেল আমদানিকারক দেশ চীনে শিল্প উৎপাদন ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি প্রত্যাশার চেয়ে ধীরগতির হওয়ায় চাহিদায় ঘাটতি।মার্কিন সুদের হার ও সুদের প্রভাব: উচ্চ সুদের হারের কারণে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যিক মন্দার প্রভাব এবং অর্থনৈতিক স্থবিরতা তেলের দামে অতিরিক্ত চাপ তৈরিতে বাধা সৃষ্টি করেছে।এক নজরে আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজার পরিস্থিতিবিষয়বিবরণবাজার স্থিতিপ্রতি ব্যারেল তেলের দাম ১০০ ডলারের নিচেউত্তেজনার অঞ্চলমধ্যপ্রা

ফেসবুকে আমরা...
নামাজের সময়সূচী
জাতীয় সঙ্গীত
©সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ বাংলাদেশ প্রতিদিন সত্যের সন্ধানে সব সময় | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় BDS Digital Marketing Agency