পূর্বাচল প্লট কেলেঙ্কারি: শেখ হাসিনা–রেহানা–টিউলিপসহ ১৭ জনের রায় ১ ডিসেম্বর
প্রতিবেদক : বিডিএস বুলবুল আহমেদ
ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৪ আগামী ১ ডিসেম্বর পূর্বাচল নতুন শহর (রাজউক নিউ টাউন) প্রকল্পে প্লট বরাদ্দে জালিয়াতি–দুর্নীতির এক আলোচিত মামলার রায় ঘোষণা করতে যাচ্ছে। এই মামলার dock–এ আছেন অপসারিত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, তার বোন শেখ রেহানা, ভাতিজি ব্রিটিশ এমপি টিউলিপ সিদ্দিক এবং গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় ও রাজউকের সাবেক একদল শীর্ষ কর্মকর্তা–মিলে মোট ১৭ আসামি।
মঙ্গলবার (২৫ নভেম্বর) ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৪–এর বিচারক মো. রবিউল আলম রাষ্ট্র ও আসামিপক্ষের যুক্তিতর্ক শেষ হওয়ায় রায়ের জন্য এই দিন ঠিক করেন। আগে ১৮ নভেম্বর এই মামলার সাক্ষ্যগ্রহণপর্ব শেষ হয়; রাষ্ট্রপক্ষ মোট ৩২ জন সাক্ষীর জবানবন্দি আদালতে উপস্থাপন করেছে।
দুর্নীতি দমন কমিশন–দুদক এর তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ১৩ জানুয়ারি দুদকের উপপরিচালক মো. সালাহউদ্দিন এই মামলাটি দায়ের করেন। অভিযোগপত্র দেওয়া হয় একই বছরের ১০ মার্চ; শুরুতে ১৫ জনকে আসামি করা হলেও তদন্ত শেষে মোট ১৭ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন হয়।
মামলার মূল অভিযোগ তিনটি স্তরে—
ক্ষমতার অপব্যবহার : প্রধানমন্ত্রী ও রাজনৈতিক প্রভাব ব্যবহার করে সরকারি প্লট বরাদ্দ আদায়
অবৈধ সুবিধা গ্রহণ : যোগ্যতার মানদণ্ড পূরণ না করেও পূর্বাচল প্রকল্পে ১০ (কখনও মোট ৩০) কাঠা প্লট বরাদ্দ নেওয়া
দলিল জালিয়াতি–অনিয়ম : মিথ্যা হলফনামা ও বিভ্রান্তিকর তথ্যের মাধ্যমে প্লট মালিকানা নিশ্চিত করার চেষ্টা
রাষ্ট্রপক্ষের মতে, এই একটি মামলার বাইরে আরও কয়েকটি মামলায় শেখ হাসিনা ও তার পরিবারের সদস্যদের নামে পূর্বাচল প্রকল্পের বিভিন্ন সেক্টরে একাধিক প্লট বরাদ্দের অভিযোগ রয়েছে; ৬টি মামলার সব কটির অভিযোগপত্র ইতিমধ্যে আদালতে গিয়েছে এবং এর মধ্যে কয়েকটির রায় ঘোষণার দিনও নির্ধারিত হয়েছে।
ইতোমধ্যে গণমাধ্যম এবং আদালতের নথি থেকে যে তথ্য নিশ্চিত হওয়া গেছে—এই মামলার ১৭ আসামির মধ্যে রয়েছেন:
অপসারিত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা
তার বোন শেখ রেহানা
ভাতিজি ও যুক্তরাজ্যের সাবেক সিটি মন্ত্রী, বর্তমান এমপি টিউলিপ রিজওয়ানা সিদ্দিক
গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের সাবেক ও বর্তমান একাধিক কর্মকর্তা
রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক)–এর সাবেক চেয়ারম্যানের পিএ ও বেশ কয়েকজন সাবেক সদস্য–কর্মকর্তা
সাবেক গৃহায়ন ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী
জানা গেছে, এই মামলার একমাত্র হাজির আসামি রাজউকের সাবেক সদস্য মোহাম্মদ খুরশীদ আলম ইতোমধ্যে কারাগারে আছেন; বাকি ১৬ জন পলাতক হিসেবে অনুপস্থিতিতে বিচার মুখোমুখি হচ্ছেন—যাদের বিরুদ্ধে আগে থেকেই গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি রয়েছে।
দুদকের মামলার ভাষ্য অনুযায়ী:পূর্বাচল/রাজউক নতুন শহর প্রকল্পে কূটনৈতিক অঞ্চল–সংলগ্ন সেক্টরে ১০ কাঠা আকারের একটি প্লট শেখ রেহানার নামে বরাদ্দ হয়।
অভিযোগ, প্লটটি বরাদ্দ পেতে তিনি বৈধ নীতিমালা–যোগ্যতা পূরণ করেননি; বরং প্রধানমন্ত্রী হিসেবে বোন শেখ হাসিনা নিজের নির্বাহী ক্ষমতা ব্যবহার করে রাজউককে নির্দেশ দেন।
তদন্তে দেখা যায়, প্লট বরাদ্দের আবেদন থেকে শুরু করে ফাইল–প্রসেসিং ও অনুমোদনের প্রতিটি ধাপে নিয়ম না মেনে বিশেষ তদবির–চাপ প্রয়োগ করা হয়েছে।
পরবর্তীতে নথিপত্রে অসত্য তথ্য ও হলফনামার মাধ্যমে ওই প্লটের মালিকানা নিশ্চিত করা হয়, যা দুর্নীতি দমন আইনে দণ্ডনীয় অপরাধ।
একই প্রকল্পে শেখ হাসিনা, তার সন্তান সজীব ওয়াজেদ জয় ও সাইमा ওয়াজেদ পুতুল, শেখ রেহানা ও তার সন্তান রাদওয়ান মুজিব সিদ্দিক ববি এবং আজমিনা সিদ্দিকের নামে একাধিক প্লট বরাদ্দের অভিযোগে দুদক আরও কয়েকটি মামলা করেছে—যেগুলোর বিচারও একসঙ্গে চলছে।
এই মামলার আন্তর্জাতিক মাত্রা যোগ করেছে ব্রিটিশ এমপি টিউলিপ সিদ্দিক। অভিযোগ, তিনি লন্ডনে দায়িত্বে থাকা অবস্থায় রাজনৈতিক প্রভাব ব্যবহার করে বাংলাদেশে মা, ভাই–বোন ও নিজের জন্য প্লট বরাদ্দে চাপ তৈরি করেছিলেন।
বাংলাদেশের দুদকের তদন্ত ও পশ্চিমা গণমাধ্যমের একাধিক অনুসন্ধানে বলা হয়েছে—
টিউলিপ সরকারি ভূমি বরাদ্দের বিষয়ে “অযাচিত প্রভাব” খাটিয়েছেন বলে অভিযোগ;
তিনি পরবর্তীতে যুক্তরাজ্য সরকারের মন্ত্রী পদ থেকে সরে দাঁড়ান এবং অভিযোগগুলোকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করেন;
ঢাকার আদালতে তিনি অনুপস্থিত থাকার কারণে তার বিরুদ্ধে বারবার গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি হয়।
ফলত, পূর্বাচল প্লট কেলেঙ্কারি এখন শুধু বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ দুর্নীতি বিরোধী অভিযানের অংশ নয়; বরং ব্রিটিশ পার্লামেন্ট পর্যন্ত আলোচনায় উঠে আসা এক আন্তর্জাতিক ইস্যুতে পরিণত হয়েছে।
বাংলাদেশ ও এর পূর্বসূরি পাকিস্তান আমলে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা ব্যবহার করে জমি–প্লট–বিতরণে অনিয়ম–দুর্নীতি নতুন কিছু নয়; বরং কয়েক দশকের এক ধারাবাহিকতা।
১৯৬০–৭০ দশক: পাকিস্তান আমলের শেষ দিকে এবং স্বাধীনতার পর সরকারি আবাসিক প্লট বরাদ্দ নিয়ে অভিযোগ থাকলেও তেমন বিচার হয়নি; অনেক সময়ে তা “রাষ্ট্রীয় সুবিধা” বলেই ধরা হতো।এরশাদ আমল (১৯৮২–১৯৯০): সাবেক সামরিক শাসক এইচ এম এরশাদের বিরুদ্ধে প্লট বরাদ্দসহ বিভিন্ন দুর্নীতির মামলা হয়। এক পর্যায়ে তাকে ঢাকার জনতা টাওয়ার মামলা ও অন্যান্য graft মামলায় দোষী সাব্যস্ত করা হয়; আবার ৪৯টি প্লট বিতরণ–সংক্রান্ত এক মামলায় তাকে খালাসও দেওয়া হয়—যা দেখিয়েছে, উচ্চপর্যায়ের দুর্নীতির মামলাগুলো কীভাবে আইন–রাজনীতির টানাপোড়েনে দোল খায়।
খালেদা জিয়া–উত্তর পর্ব: বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া ‘জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট’ ও ‘জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট’সহ একাধিক graft মামলায় দণ্ডিত হলেও, আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর ২০২৪–২৫ সালে সুপ্রিম কোর্ট পর্যায়ে একে একে সব মামলাতেই তিনি ও তার সহযোগীরা খালাস পান।
এভাবে ১৯৫০–এর দশক থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত ঘটনাপ্রবাহ ঘেঁটে দেখা যায়—
ক্ষমতায় থাকা দল যখন বিরোধী দলে যায়, তখনই জমি–প্লট–দুর্নীতির মামলায় তাদের বড় বড় নেতারা কাঠগড়ায় দাঁড়াতে হয়; কিন্তু সব মামলারই পরিণতি সমান হয় না। কখনো দণ্ড, কখনো খালাস, কখনো আবার বছর–দশেক ঝুলে থাকার পর মামলাই অদৃশ্য হয়ে যায়।
পূর্বাচল প্লট কেলেঙ্কারির এই ধারাবাহিকতা সেই দীর্ঘ রাজনৈতিক–আইনি ইতিহাসের নতুন এবং সম্ভবত সবচেয়ে আলোচিত অধ্যায়; কারণ এতে প্রথমবারের মতো একই সঙ্গে দুই সাবেক প্রধানমন্ত্রী পরিবারের বিরুদ্ধে (এরশাদ ও খালেদার পর শেখ হাসিনা পরিবার) এত বড় আকারের জমি–দুর্নীতির বিচার একাধিক মামলায় চলছে।
রাজউক পরিচালিত পূর্বাচল নতুন শহর প্রকল্প তৈরি হয়েছিল মূলত ঢাকা শহরের চাপ ভাগ করে নেওয়ার জন্য—পরিকল্পনা ছিল আধুনিক, সবুজ ও পরিকল্পিত এক নতুন নগরী গড়ে তোলা। কিন্তু বছর গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে এ প্রকল্পের বিরুদ্ধে ওঠে—
পরিবেশ আইন লঙ্ঘনের অভিযোগ,
বন ও জীববৈচিত্র্য ধ্বংস,
নীতিমালা উপেক্ষা করে প্লট বরাদ্দ,
এবং রাজনৈতিক প্রভাবশালীদের জন্য গোপন কোটার মতো অভিযোগ।
দুদকের সাম্প্রতিক তদন্তে দেখা গেছে, পূর্বাচলের কূটনৈতিক জোন–সংলগ্ন সেক্টরে অতি অল্প সময়ে একই পরিবারের একাধিক সদস্যের নামে একাধিক প্লট বরাদ্দ হয়েছে, অনেক ক্ষেত্রে আবেদনের পূর্বেই প্লট “রিজার্ভ” করে রাখার মতো অনিয়মের তথ্যও উঠে এসেছে।
২০২৪ সালের জুলাই–আগস্টের গণ–অভ্যুত্থানে দীর্ঘ প্রায় ১৫ বছরের হাসিনা সরকারের পতনের পরই এই দুর্নীতি বিরোধী বড় অভিযান শুরু হয়। আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম ও মানবাধিকার সংগঠনগুলো তখন থেকেই অভিযোগ তুলে আসছিল—
রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা ব্যবহার করে গোপন আটককেন্দ্র “আয়নাঘর” পরিচালনা,
গুম–খুন–নির্যাতন,
এবং হাজার কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ গড়ে তোলার মতো অভিযোগ।
অন্তর্বর্তী সরকারের সময় দুদক ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে শেখ হাসিনা ও তার পরিবারের বিরুদ্ধে পূর্বাচলসহ বিভিন্ন প্রকল্পে প্লট–কেলেঙ্কারি নিয়ে মোট ৬টি মামলা করে; মার্চে সব কটির অভিযোগপত্র জমা দেয়। আদালত ১ জুলাই গেজেটের মাধ্যমে ১০০ আসামিকে হাজির হতে নির্দেশ দিলে অনেকেই পলাতক ঘোষিত হন।
এখন প্রশ্ন—
এই সব মামলার রায় কি বাংলাদেশে উচ্চপর্যায়ের দুর্নীতির বিরুদ্ধে এক নতুন ‘precedent’ তৈরি করবে, নাকি অতীতের মতোই রাজনৈতিক সমীকরণের ভেতর হারিয়ে যাবে—তা জানতে অপেক্ষা ১ ডিসেম্বরের আদালতপাড়া।
১. আইন সবার জন্য সমান—নাকি কেবল স্লোগান?
হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ থেকে শুরু করে খালেদা জিয়া—সব বড় নেতা কোনো না কোনো সময় graft মামলায় আসামি হয়েছেন। কেউ সাজা পেয়েছেন, আবার অনেক মামলায় বছরের পর বছর পর খালাসও মিলেছে। এবার প্রথমবারের মতো এক পরিবার (হাসিনা পরিবার) একযোগে এতগুলো দুর্নীতিমামলায় কাঠগড়ায়। রায়ে যদি কঠোর দণ্ড হয়, তা হলে “আইনের শাসন” বিষয়ে এক ধাপ এগোনো বলা যেতে পারে; আর যদি দুর্বল প্রমাণ বা টেকনিক্যাল কারণে একে একে সবাই খালাস পেয়ে যান, তবে অতীতের মতোই ‘নির্বাচিত বিচার’–এর অভিযোগ জোরালো হবে।
২. দল–বদলের রাজনীতিতে বিচার–বাছাইয়ের প্রশ্ন
এরশাদের ক্ষেত্রে যেমন ক্ষমতার পালাবদল তাকে কখনও অপর পক্ষের মিত্র, কখনও আসামি বানিয়েছে—তেমনি খালেদা জিয়ার ক্ষেত্রেও দেখা গেছে সরকার পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে একই মামলায় ভিন্ন ভিন্ন রায় এসেছে। হাসিনা পরিবারের ক্ষেত্রেও যদি ভবিষ্যতে আবার রাজনৈতিক পালাবদল হয়, তখন এই সব রায়ের স্থায়িত্ব কতটুকু থাকবে—সেটা নিয়েও বিশেষজ্ঞরা প্রশ্ন তুলছেন।
৩. প্রবাসী রাজনীতি ও কূটনৈতিক চাপ
টিউলিপ সিদ্দিক যুক্তরাজ্যের রাজনীতির গুরুত্বপূর্ণ মুখ। তার বিরুদ্ধে ঢাকা আদালতের গ্রেপ্তারি পরোয়ানা, একাধিক graft মামলা এবং লন্ডনে তার রাজনৈতিক অবস্থান—সব মিলিয়ে ঢাকা–লন্ডন সম্পর্কেও এই মামলার প্রভাব পড়তে পারে। বিচার প্রক্রিয়া যদি স্বচ্ছ হয়, তবে তা আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও ইতিবাচক বার্তা পাঠাতে পারে; আবার যদি রাজনৈতিক প্রতিহিংসার ছাপ অতিরঞ্জিত হয়, সে ক্ষেত্রে উল্টো প্রতিক্রিয়াও আসতে পারে।
৪. পূর্বাচল প্রকল্পের ভবিষ্যৎ ও নগর–পরিকল্পনা
রাজউক ইতোমধ্যে পূর্বাচল প্রকল্পের প্লট বরাদ্দ, পরিবেশগত ক্ষতি ও অবকাঠামো ঘাটতি নিয়ে নতুন করে পুনর্মূল্যায়নের কাজ শুরু করেছে। বৃহৎ এই কেলেঙ্কারির রায়–পরবর্তী সময়ে—
অবৈধ প্লট বাতিল,
পুনর্বিন্যাস,
আর ভবিষ্যতে স্বচ্ছ ডিজিটাল লটারিভিত্তিক প্লট বরাদ্দ–প্রক্রিয়া শুরু হবে কি না—তা নজর রাখার মতো।
১. বাংলাদেশ প্রতিদিন (ইংরেজি অনলাইন) – “Judgment in plot scam case against Hasina, Rehana, Tulip on Dec 1” (২৫ নভেম্বর ২০২৫) – মামলার রায়ের তারিখ, মোট আসামি, ১০ কাঠা RAJUK প্লট, ৩২ সাক্ষীর তথ্য।
২. বিএসএস, ডেইলি সান, বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড, ডেইলি স্টার, টিবিএস – ২০২৫ সালের জানুয়ারি–নভেম্বর সময়কালে প্রকাশিত একাধিক প্রতিবেদন: পূর্বাচল প্লট দুর্নীতি মামলায় ৬টি কেস, শেখ হাসিনা–রেহানা–টিউলিপসহ পরিবারের অন্য সদস্যদের বিরুদ্ধে অভিযোগ, সালাহউদ্দিনের করা মামলা, ১০ ও ৩০ কাঠা প্লট বরাদ্দ, গ্রেপ্তারি পরোয়ানা ও গেজেট নোটিশের তথ্য।
৩. আন্তর্জাতিক ও ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট–সংক্রান্ত উৎস – Khaleda Zia–এর graft মামলায় খালাস (উইকিপিডিয়া, জুরিস্ট ও আঞ্চলিক গণমাধ্যম), এরশাদের প্লট–দুর্নীতি ও Janata Tower মামলা (উইকিপিডিয়া, আরব নিউজ, ডেইলি স্টার), পূর্বাচল প্রকল্পের পরিবেশগত বিতর্ক (আইন–বিষয়ক গবেষণা ও রিপোর্ট), টিউলিপ সিদ্দিককে ঘিরে FT, The Times, Guardian, Sky News–এর অনুসন্ধানী প্রতিবেদন এবং শেখ হাসিনা সরকারের সময়ে গুম–নির্যাতন ও “আয়নাঘর” সংক্রান্ত Le Monde–এর অনুসন্ধান।
প্রতিবেদক:বিডিএস বুলবুল আহমেদ
আরও খবর জানতে ভিজিট করুন: বাংলাদেশ প্রতিদিন
| ফজর | 3:50 AM ভোর |
|---|---|
| যোহর | 12:04 দুপুর |
| আছর | 4:44 PM বিকাল |
| মাগরিব | 6:50 PM সন্ধ্যা |
| এশা | 8:17 PM রাত |
| জুম্মা | 1.30 pm দুপুর |