প্রতিবেদক: বিডিএস বুলবুল আহমেদ
ঢাকা, অক্টোবর ২০২৫ — নির্বাচন কমিশন (ইসি) **জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)**কে চিঠি দিয়েছে, আগামী ৭ অক্টোবর এর মধ্যে কমিশনের নির্ধারিত ৫০টি প্রতীক থেকে একটি প্রতীক বেছে নিতে। তবে এনসিপি ইতিমধ্যে ঘোষণা করেছে যে, তারা শুধু শাপলা প্রতীক চাইবে। ইসি বলেছে, শাপলা, সাদা শাপলা বা লাল শাপলার মতো প্রতীক তাদের তালিকাভুক্ত নয় — তাই তা দেওয়া যেতে পারে না।
ইসি জানিয়েছে, এনসিপি-এর নিবন্ধন আবেদন প্রাথমিকভাবে গ্রহণ করা হয়েছে। আবেদনপত্রে তারা শাপলা, কলম ও মোবাইলকে প্রথম পছন্দ হিসেবে উল্লেখ করেছিল। পরে সংশোধন করে শাপলা, সাদা শাপলা বা লাল শাপলা চান বলে আবেদন করেন।
তবে নির্বাচন পরিচালনা বিধিমালা, ২০০৮-এর বিধি ৯ (১) অনুযায়ী, কমিশনের নির্ধারিত প্রতীকগুলোর তালিকায় “শাপলা” অন্তর্ভুক্ত নেই।
চিঠিতে বলা হয়েছে, প্রদানকৃত প্রতীক যদি দল চান, তাহলে তা দলীয়ভাবে সংরক্ষিত থাকবে — যদি না ভবিষ্যতে অন্য কোনো প্রতীক চায়।
ইসি স্পষ্ট করে উল্লেখ করেছে, জাতীয় সংসদ নির্বাচন বিধি ও তফসিলে অন্তর্ভুক্ত ১১৫টি প্রতীক তালিকায় শাপলা (সাদা/লাল) নেই — তাই শাপলা দেয়া হবে না।
কমিশন কর্তারা বলছেন, শাপলা–পরিবারভুক্ত কোন প্রতীক তাদের তালিকায় নেই; তাই নামমাত্র “শাপলা” দাবি করা হলেও তা নিয়ম অনুযায়ী দেওয়া সম্ভব নয়।
এনসিপির যুগ্ম সদস্য সচিব জহিরুল ইসলাম মুসা বলেছেন, “ইসির তালিকায় থাকা ৫০টি প্রতীক থেকে আমরা কোনো প্রতীক নেব না; আমরা পুনরায় শাপলা প্রতীক চেয়ে চিঠি পাঠাব।”
দলটির পক্ষ থেকে তারা বলেছে, শাপলা প্রতীকই দল চায় এবং সেটি পেতে they will persist with their request.
দলের অভ্যন্তরে এই ইস্যু নিয়ে নানা ধারণা ও আলোচনা চলেছে — কিছু নেতা মনে করছেন, শাপলা প্রতীক না পেলে অন্য প্রতীকে যেতে হবে, আবার অনেকে বলছেন চূড়ান্তভাবে শাপলা ছাড়া দল মার্কাবিহীন হতে পারে।
প্রতীক ভোটারদের মধ্যে পরিচিতি ও চিন্হিততা গড়তে কার্যকর একটি উপাদান।
বিশেষ করে নতুন দল বা জনপ্রিয়তা গড়ার পথে থাকা দলগুলোর জন্য প্রতীক গুরুত্বপূর্ণ ব্র্যান্ডিং টুল।
ইসি ও সংশ্লিষ্ট আইন অনুযায়ী, যারা আবেদন করে তাদের নির্ধারিত প্রতীক তালিকা থেকেই প্রতীক বেছে নিতে হবে।
এনসিপি যদি সেই তালিকার কোন প্রতীকের নাম না চান, তাহলে আইনগত সমস্যা ও বিরোধ উৎস হতে পারে।
শাপলা প্রতীক বন্ধ পাওয়া গেলে, দলের অনেকে নতুন প্রতীককে গ্রহণ করার মানসিক প্রস্তুতি নিচ্ছেন।
শাপলা প্রতীকের নাম ও চাওয়া রাজনৈতিক মান ও দাবি — এটি সরলভাবে প্রতীক নয়, একটি স্বীকৃতি চিহ্ন হিসেবেও বিবেচিত।
ততক্ষণ পর্যন্ত বিরোধ ও চিঠিপত্র চলতেই থাকবে — দল ও ইসির সম্পর্ক, আদালতির হস্তক্ষেপ, রাজনৈতিক চাপ — সবকিছুই আলোচনায় আসতে পারে।
এনসিপি ও নির্বাচন কমিশনের মধ্যকার প্রতীক বাছাই ইস্যু শুধু একটি আইনগত ঝামেলা নয় — এটি একটি নৈতিক, রাজনৈতিক ও সাংগঠনিক পরীক্ষা।
যদি ইসি কঠোরভাবে নিয়ম মেনে চলে, তাহলে দলকে বাধ্য হবে পছন্দের তালিকা থেকে কোন প্রতীক গ্রহণ করতে।
যদি নিয়মের গঠন ও রাজনৈতিক চাপে কিছু পরিবর্তন হয়, তাহলে ভবিষ্যতে প্রতীক বিতর্ক নতুন মাত্রা পেতে পারে।
সময়ই বলে দেবে — শাপলা প্রতীকের দাবিতে এনসিপির স্থিতি কী হবে, এবং কমিশন/আদালতের ভূমিকা কী রূপ নেবে।
প্রতিবেদক:বিডিএস বুলবুল আহমেদ
আরও খবর জানতে ভিজিট করুন: বাংলাদেশ প্রতিদিন
| ফজর | 3:50 AM ভোর |
|---|---|
| যোহর | 12:04 দুপুর |
| আছর | 4:44 PM বিকাল |
| মাগরিব | 6:50 PM সন্ধ্যা |
| এশা | 8:17 PM রাত |
| জুম্মা | 1.30 pm দুপুর |