লন্ডনে তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করলেন কণ্ঠশিল্পী মনির খান
প্রতিবেদক: বিডিএস বুলবুল আহমেদ
তারিখ: ১০ আগস্ট ২০২৫, ঢাকা–লন্ডন
উৎস: যুগান্তর ও সংগৃহীত তথ্য
তিনবার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারপ্রাপ্ত কণ্ঠশিল্পী মনির খান শুধু সংগীত অঙ্গনে নয়, রাজনৈতিক ক্ষেত্রেও সক্রিয়। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) এর জাতীয় নির্বাহী কমিটির সাংস্কৃতিক বিষয়ক সহসম্পাদক এবং জাতীয়তাবাদী সামাজিক সাংস্কৃতিক সংস্থা (জাসাস) এর সাধারণ সম্পাদক হিসেবে তিনি দীর্ঘদিন দায়িত্ব পালন করেছেন।
বর্তমানে তিনি যুক্তরাজ্যের লন্ডনে অবস্থান করছেন এবং ইতোমধ্যে দুটি স্টেজ শো সম্পন্ন করেছেন।
মনির খান গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করে বলেন, “জি, উনার সাথে সাক্ষাৎ হয়েছে। উনি আমাদের দল বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান, আমাদের অভিভাবক। উনার সাথে সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিকসহ অনেক বিষয় নিয়েই আলোচনা হয়েছে। তিনি একজন সংস্কৃতিবান্ধব মানুষ।”
আলোচনায় মনির খান বিশেষভাবে উল্লেখ করেছেন যে, আশপাশের কয়েকটি দেশের সংস্কৃতি বাংলাদেশের নিজস্ব সংস্কৃতিকে প্রভাবিত ও গ্রাস করছে। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন,
“কীভাবে এই ভিনদেশি সাংস্কৃতিক আগ্রাসন থেকে বাংলাদেশি সংস্কৃতি রক্ষা করে আরও বিকশিত করা যায়, সে বিষয়ে তার সঙ্গে বিস্তর আলোচনা হয়েছে।”
তারেক রহমান এ বিষয়ে নানা দিকনির্দেশনা দেন এবং সাংস্কৃতিক শক্তিকে রাজনৈতিক প্রেরণার অংশ হিসেবে গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
মনির খান জানান, তারেক রহমানের আলোচনার মূল কেন্দ্র ছিল বাংলাদেশের মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার পুনঃপ্রতিষ্ঠা এবং মৌলিক অধিকার সংরক্ষণ।
তিনি বলেন,
“উনি সবকিছুর আগে বাংলাদেশকে ওপরে রেখে চিন্তা করেন। কিভাবে বাংলাদেশের মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার ফিরিয়ে দেওয়া যায়, কিভাবে তাদের ভাতের অধিকার রক্ষা করা যায়—এসব নিয়ে সবকিছুর আগে উনি ভাবেন।”
বাংলাদেশের রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক ইতিহাসে প্রবাসভিত্তিক নেতৃত্ব ও সংস্কৃতিবান্ধব রাজনীতি একাধিকবার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।
১৯৭১ মুক্তিযুদ্ধকালীন প্রবাস সরকার: রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত ও সাংস্কৃতিক প্রচারণা প্রবাস থেকেই পরিচালিত হয়েছিল।
২০০৭–২০০৮ জরুরি শাসনকালে: বিদেশে অবস্থান করে রাজনৈতিক নেতৃত্ব ও সাংস্কৃতিক প্রচার অব্যাহত রাখা হয়।
২০২৪–২০২৫ রাজনৈতিক পরিবর্তন: জুলাইয়ের গণআন্দোলনের পর বিএনপি নেতৃত্বাধীন রাজনৈতিক শক্তির প্রবাসভিত্তিক সাংগঠনিক কার্যক্রম আরও জোরদার হয়।
মনির খান–তারেক রহমানের এই সাক্ষাৎ সেই ধারাবাহিকতার সাম্প্রতিক উদাহরণ, যেখানে সাংস্কৃতিক অঙ্গন রাজনৈতিক এজেন্ডার সাথে যুক্ত হচ্ছে।
এই সাক্ষাৎ শুধু একটি সৌজন্য আলাপ নয়; বরং এটি সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক শক্তিকে একত্রিত করার কৌশলগত পদক্ষেপ হিসেবে দেখা যেতে পারে। সাংস্কৃতিক আগ্রাসন প্রতিরোধ এবং গণতান্ত্রিক অধিকার পুনঃপ্রতিষ্ঠার বিষয়কে একসাথে আলোচনায় আনা বিএনপির ভবিষ্যৎ সাংস্কৃতিক নীতি ও রাজনৈতিক প্রচারণার দিকনির্দেশনা দিতে পারে।
যুগান্তর প্রতিবেদন, ১০ আগস্ট ২০২৫।
বাংলাদেশে সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক প্রবাস কার্যক্রমের ইতিহাস, ১৯৫০–২০২৫।
প্রতিবেদক:বিডিএস বুলবুল আহমেদ
আরও খবর জানতে ভিজিট করুন: বাংলাদেশ প্রতিদিন
| ফজর | 3:50 AM ভোর |
|---|---|
| যোহর | 12:04 দুপুর |
| আছর | 4:44 PM বিকাল |
| মাগরিব | 6:50 PM সন্ধ্যা |
| এশা | 8:17 PM রাত |
| জুম্মা | 1.30 pm দুপুর |