ট্রাম্পের সম্ভাব্য সৌদি সফর: ১০০ বিলিয়ন ডলারের অস্ত্র চুক্তির আলোচনার গুঞ্জন
আগামী মাসে সৌদি আরব সফরে যেতে পারেন যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট এবং ২০২৪ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে রিপাবলিকান দলের অন্যতম প্রধান মুখ ডোনাল্ড ট্রাম্প। সফরটি ঘিরে ইতোমধ্যেই আলোচনায় এসেছে একটি সম্ভাব্য বিশাল সামরিক চুক্তি—যার পরিমাণ হতে পারে প্রায় ১০০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। বিষয়টি নিশ্চিত করেছে আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থা রয়টার্স, যারা একাধিক সূত্রের বরাতে খবরটি জানিয়েছে।
এই চুক্তির আওতায় সৌদি আরবকে উন্নত সামরিক সরঞ্জাম, যুদ্ধবিমান, ড্রোন এবং ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সরবরাহের পরিকল্পনা রয়েছে। এ সরঞ্জাম সরবরাহে জড়িত থাকতে পারে যুক্তরাষ্ট্রের কয়েকটি বড় সামরিক ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান, যেমন লকহিড মার্টিন, আরটিএক্স, বোয়িং, এবং জেনারেল অ্যাটোমিক্স।
সফরে শীর্ষ অস্ত্র প্রস্তুতকারীরা থাকতে পারেন সঙ্গে
খবরে বলা হয়েছে, এই সফরে ট্রাম্পের সঙ্গে যুক্ত হতে পারেন এসব কোম্পানির শীর্ষ নির্বাহীরা। সৌদি সরকারের সঙ্গে সম্ভাব্য আলোচনায় তারা সরাসরি উপস্থিত থেকে নিজ নিজ কোম্পানির প্রস্তাবনা তুলে ধরবেন।
বাইডেন প্রশাসনের ব্যর্থতা ও ট্রাম্পের নতুন উদ্যোগ
এর আগে বাইডেন প্রশাসন সৌদি আরব ও ইসরায়েলের মধ্যে সম্পর্ক স্বাভাবিক করার লক্ষ্যে কিছু সামরিক ও কূটনৈতিক উদ্যোগ নিয়েছিল। সৌদি আরবকে উন্নত মার্কিন অস্ত্র সরবরাহের পাশাপাশি চীনের সঙ্গে তাদের বাণিজ্য ও বিনিয়োগ কমানোর অনুরোধ করেছিল ওয়াশিংটন। তবে শেষ পর্যন্ত সেই পরিকল্পনা আলোর মুখ দেখেনি।
এবার ট্রাম্প আরো বিস্তৃত ও সরাসরি সামরিক সহযোগিতার প্রস্তাব নিয়ে এগোচ্ছেন বলে মনে করা হচ্ছে।
মার্কিন প্রতিরক্ষা বিভাগের প্রতিক্রিয়া
যদিও হোয়াইট হাউজ বা সৌদি সরকার এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো মন্তব্য করেনি, তবে মার্কিন প্রতিরক্ষা বিভাগের এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে রয়টার্সকে বলেন, “সৌদি আরবের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক এখনো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই অঞ্চলের নিরাপত্তা এবং কৌশলগত ভারসাম্যের জন্য এমন চুক্তি বড় ভূমিকা রাখতে পারে।”
খাশোগি হত্যার পর অস্ত্র বিক্রিতে ভাটা
উল্লেখ্য, ২০১৮ সালে সৌদি সাংবাদিক জামাল খাশোগি হত্যাকাণ্ডের পর মার্কিন কংগ্রেস সৌদি আরবের কাছে অস্ত্র বিক্রির ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে। এরপর থেকে দুই দেশের মধ্যে সামরিক বাণিজ্যে একধরনের ভাটা পড়ে। তবে এই নতুন উদ্যোগ সেই নিষেধাজ্ঞার গণ্ডি পেরিয়ে এক নতুন দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের দিগন্ত উন্মোচন করতে পারে বলেই মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
| ফজর | 3:50 AM ভোর |
|---|---|
| যোহর | 12:04 দুপুর |
| আছর | 4:44 PM বিকাল |
| মাগরিব | 6:50 PM সন্ধ্যা |
| এশা | 8:17 PM রাত |
| জুম্মা | 1.30 pm দুপুর |