| বঙ্গাব্দ

সেন্টমার্টিন ভ্রমণের সুযোগ সাড়ে ৪ মাস, দিনে সর্বোচ্চ ৩৫০০ পর্যটক যাতায়াত করতে পারবেন

রিপোর্টারের নামঃ BDS Bulbul Ahmed
  • আপডেট টাইম : 25-10-2026 ইং
  • 327163 বার পঠিত
সেন্টমার্টিন ভ্রমণের সুযোগ সাড়ে ৪ মাস, দিনে সর্বোচ্চ ৩৫০০ পর্যটক যাতায়াত করতে পারবেন
ছবির ক্যাপশন: সেন্টমার্টিন ভ্রমণের সুযোগ সাড়ে ৪ মাস, দিনে সর্বোচ্চ ৩৫০০ পর্যটক যাতায়াত করতে পারবেন

সেন্টমার্টিন ভ্রমণের সুযোগ সাড়ে ৪ মাস, দিনে সর্বোচ্চ ৩৫০০ পর্যটক যাতায়াত করতে পারবেন

দেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ সেন্টমার্টিনের পরিবেশ, প্রতিবেশ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষায় পর্যটক যাতায়াতের সময়সীমা ও সংখ্যা নির্দিষ্ট করে নতুন নীতিমালা জারি করা হয়েছে। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, পর্যটকরা বছরে মোট সাড়ে চার মাস সেন্টমার্টিন ভ্রমণের সুযোগ পাবেন এবং প্রতিদিন সর্বোচ্চ ৩ হাজার ৫০০ জন পর্যটক দ্বীপে যাতায়াত করতে পারবেন। গতকাল পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় এবং পর্যটন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের যৌথ পর্যালোচনার পর পরিবেশবান্ধব পর্যটন নিশ্চিত করতে এই নতুন কড়াকড়ি আরোপের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে।

নতুন নিয়মাবলী ও পর্যটন ব্যবস্থাপনা

পরিবেশের ওপর বাড়তি চাপ কমাতে এবং দ্বীপের জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে বেশ কিছু নতুন নির্দেশনা কার্যকর করা হচ্ছে।

  • পর্যটকদের সংখ্যা নিয়ন্ত্রণ: প্রতিদিন টেকনাফ বা নির্ধারিত ঘাট থেকে ছেড়ে যাওয়া জাহাজে সর্বোচ্চ ৩ হাজার ৫০০ জন পর্যটক ওঠার অনুমতি পাবেন।

  • ভ্রমণের নির্দিষ্ট সময়সীমা: সারা বছরের মধ্যে নির্ধারিত সাড়ে চার মাস পর্যটকদের জন্য দ্বীপটি উন্মুক্ত থাকবে, বাকি সময় দ্বীপের প্রাকৃতিক পরিবেশ পুনরুদ্ধারের জন্য পর্যটন বন্ধ রাখা হবে।

  • পরিবেশবান্ধব নির্দেশিকা: দ্বীপে একবার ব্যবহারযোগ্য প্লাস্টিক বর্জন, যত্রতত্র ময়লা ফেলা নিষিদ্ধ এবং নির্দিষ্ট স্থানে আলো বা শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণ জোরদার করা হয়েছে।

এক নজরে সেন্টমার্টিন ভ্রমণের হালনাগাদ নিয়ম

  • ভ্রমণের মেয়াদ: বছরে মোট সাড়ে ৪ মাস

  • দৈনিক পর্যটক সংখ্যা: সর্বোচ্চ ৩,৫০০ জন

  • প্রধান উদ্দেশ্য: প্রবাল দ্বীপের পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষা

  • নিয়ন্ত্রণকারী কর্তৃপক্ষ: পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় এবং স্থানীয় প্রশাসন

পর্যটন শিল্প ও স্থানীয় ব্যবসায়ীদের প্রতিক্রিয়া

হঠাৎ এই কড়াকড়িতে স্থানীয় হোটেল-মোটেল ও জাহাজ মালিকদের ব্যবসায়িক প্রভাব নিয়ে কিছুটা চিন্তা থাকলেও দীর্ঘমেয়াদে দ্বীপের অস্তিত্ব রক্ষায় এই পদক্ষেপকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন পরিবেশবাদীরা।

প্রশাসন জানিয়েছে, অনলাইন টিকিটিং ও ট্র্যাকিং ব্যবস্থার মাধ্যমে প্রতিদিনের পর্যটক সংখ্যা কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করা হবে। একই সঙ্গে দ্বীপে যাতায়াতকারী প্রতিটি জাহাজকে সরকারের এই নীতিমালার শতভাগ অনুসরণ করতে হবে।

আরও খবর জানতে ভিজিট করুন: বাংলাদেশ প্রতিদিন

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
নামাজের সময়সূচী
জাতীয় সঙ্গীত
©সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ বাংলাদেশ প্রতিদিন সত্যের সন্ধানে সব সময় | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় BDS Digital Marketing Agency