| বঙ্গাব্দ

কলমের খোঁচায়ও যেন রাড্ডা আবারও দখল না হয়: আসিফ মাহমুদ

রিপোর্টারের নামঃ BDS Bulbul Ahmed
  • আপডেট টাইম : 28-09-2026 ইং
  • 1329310 বার পঠিত
কলমের খোঁচায়ও যেন রাড্ডা আবারও দখল না হয়: আসিফ মাহমুদ
ছবির ক্যাপশন: এনসিপি মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ। ফাইল ছবি

কলমের খোঁচায়ও যেন রাড্ডা আবারও দখল না হয়: আসিফ মাহমুদ

রাজধানীর মিরপুরে অবস্থিত সুবিধাবঞ্চিত মা ও শিশুদের স্বাস্থ্যসেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান 'রাড্ডা এমসিএইচএইচ' হাসপাতালকে কোনো আমলাতান্ত্রিক জটিলতা বা অন্যায্য প্রশাসনিক সিদ্ধান্তের (কলমের খোঁচা) মাধ্যমে যেন আবারও একটি বিশেষ স্বার্থান্বেষী গোষ্ঠীর দখলে চলে যেতে না দেওয়া হয়, সে বিষয়ে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছেন যুব ও ক্রীড়া এবং শ্রম ও কর্মসংস্থান উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সাজীব ভূঁইয়া। আজ দুপুরে হাসপাতাল পরিদর্শন ও সেবা কার্যক্রমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই মন্তব্য করেন। প্রতিষ্ঠানটিকে দুর্নীতিমুক্ত রাখা এবং সাধারণ মানুষের চিকিৎসাসেবা নিরবচ্ছিন্ন রাখার তাগিদ দেন তিনি।

অনুষ্ঠান ও আসিফ মাহমুদের মূল নির্দেশনাবলি

হাসপাতালটির অতীত ব্যবস্থাপনা ও বর্তমান সেবা নিশ্চিতকরণের বিষয়ে কথা বলতে গিয়ে উপদেষ্টা বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ দিক তুলে ধরেন।

  • দখলদারিত্বের বিরুদ্ধে হুঁশিয়ারি: আসিফ মাহমুদ বলেন, "অতীতের মতো অনিয়ম, দুর্নীতি কিংবা আমলাতান্ত্রিক কলমের খোঁচায় রাড্ডা হাসপাতাল যেন আর কোনো অসৎ বা কায়েমি স্বার্থান্বেষী গোষ্ঠীর নিয়ন্ত্রণে না যায়, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সকলকে সতর্ক থাকতে হবে।"

  • সুবিধাবঞ্চিতদের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতকরণ: সাধারণ ও দুস্থ নারী-শিশুরা যাতে নামমাত্র খরচে মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা পায়, সে লক্ষ্যে হাসপাতালের অবকাঠামো ও চিকিৎসকদের আন্তরিকতার সাথে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।

  • স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা: হাসপাতালের জমি, তহবিল ও ব্যবস্থাপনায় শতভাগ স্বচ্ছতা বজায় রাখার নির্দেশ দিয়ে তিনি জানান, সরকারি সহায়তার মাধ্যমে এটিকে আরও আধুনিক করা হবে।

হাসপাতালের সেবা ও প্রশাসনিক দিক নির্দেশনার সারসংক্ষেপ

রাড্ডা এমসিএইচএইচ হাসপাতালের উন্নয়ন ও নিরাপত্তা সম্পর্কিত মূল দিকগুলো নিচে তুলে ধরা হলো।

বিষয়ের বিবরণআসিফ মাহমুদের বক্তব্য ও দিকনির্দেশনা
প্রধান বার্তাকোনো আইনি বা প্রশাসনিক শিথিলতায় হাসপাতালটি আর দখল হতে দেওয়া হবে না।
মূল উদ্দেশ্যমা ও শিশুদের স্বল্পমূল্যে আন্তর্জাতিক মানের চিকিৎসাসেবা অব্যাহত রাখা।
গৃহীত পদক্ষেপপ্রশাসনিক তদারকি জোরদার ও দুর্নীতিমুক্ত স্বচ্ছ ব্যবস্থাপনা প্রতিষ্ঠা।

কী পয়েন্ট: গণমুখী স্বাস্থ্যসেবা ও আইনি সুরক্ষা

যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা স্পষ্ট জানান যে, জুলাই বিপ্লব-পরবর্তী বাংলাদেশে কোনো জনকল্যাণমূলক প্রতিষ্ঠানকে ব্যক্তিগত বা রাজনৈতিক স্বার্থে গ্রাস করতে দেওয়া হবে না। জনগণের আমানত হিসেবে এই হাসপাতালকে সার্বক্ষণিক নজরদারিতে রাখা হবে।

অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, স্থানীয় প্রতিনিধি এবং হাসপাতালের চিকিৎসক ও কর্মীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

প্রতিবেদক:বিডিএস বুলবুল আহমেদ
আরও খবর জানতে ভিজিট করুন: বাংলাদেশ প্রতিদিন

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
খবর রোনাম: মধ্যপ্রাচ্যের তীব্র উত্তেজনা ও ইরান সংকট সত্ত্বেও বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম ১০০ ডলারের নিচে: নেপথ্যের বাজার বিশ্লেষণমেটা ডিসক্রিপশন: মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধাবস্থা ও ইরান সংকট সত্ত্বেও বৈশ্বিক বাজারে অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের দাম ব্যারেলে ১০০ ডলারের নিচে অবস্থান করছে। অর্থনৈতিক মন্দা ও উৎপাদন বৃদ্ধির নানা কারণ বিশ্লেষণ।অনলাইন ডেস্কমধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান সামরিক সংঘাত এবং ইরান কেন্দ্রিক চরম ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা সত্ত্বেও আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারে প্রতি ব্যারেল অপরিশোধিত তেলের দাম মনস্তাত্ত্বিক ১০০ ডলারের নিচেই স্থিতিশীল রয়েছে। চলতি সপ্তাহে লন্ডনের ব্রেন্ট ক্রুড এবং মার্কিন টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (WTI)—উভয় মানদণ্ডেই তেলের দর প্রত্যাশার চেয়ে কম সূচকে কেনাবেচা হতে দেখা গেছে। আন্তর্জাতিক জ্বালানি বিশ্লেষকদের মতে, বৈশ্বিক অর্থনৈতিক মন্দার আশঙ্কা, চাহিদার তুলনায় সরবরাহ বৃদ্ধি এবং প্রধান প্রধান অর্থনৈতিক পরাশক্তিগুলোতে জ্বালানি ব্যবহারের শ্লথগতির কারণে সরবরাহ শৃঙ্খলে বড় ধরনের ব্যাঘাত ঘটা সত্ত্বেও বাজারে তেলের দাম লাগামহীন হতে পারেনি।তেলের দাম না বাড়ার প্রধান অনুঘটকসমূহমধ্যপ্রাচ্যের স্পর্শকাতর পরিস্থিতির পরও আন্তর্জাতিক কমোডিটি এক্সচেঞ্জে তেলের দর প্রত্যাশার চেয়ে নিয়ন্ত্রণে থাকার পেছনে বিশ্ব অর্থনীতির কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ নিয়ামক কাজ করছে।চীন ও ইউরোপের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির গতি শ্লথ হওয়ায় জ্বালানি তেলের বিশ্বব্যাপী সার্বিক ব্যবহার আগের চেয়ে কমেছে। পাশাপাশি, ওপেক প্লাস (OPEC+) জোটের বাইরে থাকা দেশগুলোর অব্যাহত অতিরিক্ত উৎপাদন বাজারে চাহিদার ঘাটতি তৈরি হতে দেয়নি।দর নিয়ন্ত্রণে থাকার মূল কারণসমূহজ্বালানি বাজার বিশেষজ্ঞদের মতে, দর ব্যারেলে ১০০ ডলারের নিচে থাকার নেপথ্যে যেসব প্রধান কারণ রয়েছে:যুক্তরাষ্ট্র ও অপেক-বহির্ভূত দেশের উৎপাদন: যুক্তরাষ্ট্র, ব্রাজিল ও গায়ানার মতো দেশগুলোতে তেলের রেকর্ড পরিমাণ উৎপাদন বাজারের ভারসাম্য রক্ষা করছে।চীনের বাণিজ্যিক মন্দা: বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ তেল আমদানিকারক দেশ চীনে শিল্প উৎপাদন ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি প্রত্যাশার চেয়ে ধীরগতির হওয়ায় চাহিদায় ঘাটতি।মার্কিন সুদের হার ও সুদের প্রভাব: উচ্চ সুদের হারের কারণে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যিক মন্দার প্রভাব এবং অর্থনৈতিক স্থবিরতা তেলের দামে অতিরিক্ত চাপ তৈরিতে বাধা সৃষ্টি করেছে।এক নজরে আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজার পরিস্থিতিবিষয়বিবরণবাজার স্থিতিপ্রতি ব্যারেল তেলের দাম ১০০ ডলারের নিচেউত্তেজনার অঞ্চলমধ্যপ্রা

রোনাম: মধ্যপ্রাচ্যের তীব্র উত্তেজনা ও ইরান সংকট সত্ত্বেও বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম ১০০ ডলারের নিচে: নেপথ্যের বাজার বিশ্লেষণমেটা ডিসক্রিপশন: মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধাবস্থা ও ইরান সংকট সত্ত্বেও বৈশ্বিক বাজারে অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের দাম ব্যারেলে ১০০ ডলারের নিচে অবস্থান করছে। অর্থনৈতিক মন্দা ও উৎপাদন বৃদ্ধির নানা কারণ বিশ্লেষণ।অনলাইন ডেস্কমধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান সামরিক সংঘাত এবং ইরান কেন্দ্রিক চরম ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা সত্ত্বেও আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারে প্রতি ব্যারেল অপরিশোধিত তেলের দাম মনস্তাত্ত্বিক ১০০ ডলারের নিচেই স্থিতিশীল রয়েছে। চলতি সপ্তাহে লন্ডনের ব্রেন্ট ক্রুড এবং মার্কিন টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (WTI)—উভয় মানদণ্ডেই তেলের দর প্রত্যাশার চেয়ে কম সূচকে কেনাবেচা হতে দেখা গেছে। আন্তর্জাতিক জ্বালানি বিশ্লেষকদের মতে, বৈশ্বিক অর্থনৈতিক মন্দার আশঙ্কা, চাহিদার তুলনায় সরবরাহ বৃদ্ধি এবং প্রধান প্রধান অর্থনৈতিক পরাশক্তিগুলোতে জ্বালানি ব্যবহারের শ্লথগতির কারণে সরবরাহ শৃঙ্খলে বড় ধরনের ব্যাঘাত ঘটা সত্ত্বেও বাজারে তেলের দাম লাগামহীন হতে পারেনি।তেলের দাম না বাড়ার প্রধান অনুঘটকসমূহমধ্যপ্রাচ্যের স্পর্শকাতর পরিস্থিতির পরও আন্তর্জাতিক কমোডিটি এক্সচেঞ্জে তেলের দর প্রত্যাশার চেয়ে নিয়ন্ত্রণে থাকার পেছনে বিশ্ব অর্থনীতির কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ নিয়ামক কাজ করছে।চীন ও ইউরোপের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির গতি শ্লথ হওয়ায় জ্বালানি তেলের বিশ্বব্যাপী সার্বিক ব্যবহার আগের চেয়ে কমেছে। পাশাপাশি, ওপেক প্লাস (OPEC+) জোটের বাইরে থাকা দেশগুলোর অব্যাহত অতিরিক্ত উৎপাদন বাজারে চাহিদার ঘাটতি তৈরি হতে দেয়নি।দর নিয়ন্ত্রণে থাকার মূল কারণসমূহজ্বালানি বাজার বিশেষজ্ঞদের মতে, দর ব্যারেলে ১০০ ডলারের নিচে থাকার নেপথ্যে যেসব প্রধান কারণ রয়েছে:যুক্তরাষ্ট্র ও অপেক-বহির্ভূত দেশের উৎপাদন: যুক্তরাষ্ট্র, ব্রাজিল ও গায়ানার মতো দেশগুলোতে তেলের রেকর্ড পরিমাণ উৎপাদন বাজারের ভারসাম্য রক্ষা করছে।চীনের বাণিজ্যিক মন্দা: বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ তেল আমদানিকারক দেশ চীনে শিল্প উৎপাদন ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি প্রত্যাশার চেয়ে ধীরগতির হওয়ায় চাহিদায় ঘাটতি।মার্কিন সুদের হার ও সুদের প্রভাব: উচ্চ সুদের হারের কারণে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যিক মন্দার প্রভাব এবং অর্থনৈতিক স্থবিরতা তেলের দামে অতিরিক্ত চাপ তৈরিতে বাধা সৃষ্টি করেছে।এক নজরে আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজার পরিস্থিতিবিষয়বিবরণবাজার স্থিতিপ্রতি ব্যারেল তেলের দাম ১০০ ডলারের নিচেউত্তেজনার অঞ্চলমধ্যপ্রা

ফেসবুকে আমরা...
নামাজের সময়সূচী
জাতীয় সঙ্গীত
©সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ বাংলাদেশ প্রতিদিন সত্যের সন্ধানে সব সময় | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় BDS Digital Marketing Agency