মূল্যবৃদ্ধির নেপথ্যে প্রধান কারণসমূহ
জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার বিশ্লেষণে বিশ্বজুড়ে নিত্যপণ্যের বাজারে ঊর্ধ্বগতির পেছনে কয়েকটি আন্তর্জাতিক অনুঘটককে চিহ্নিত করা হয়েছে।
দক্ষিণ আমেরিকা ও এশিয়ার প্রধান কৃষি অঞ্চলগুলোতে অনাবৃষ্টি এবং খরা উৎপাদন ব্যাহত করছে। অন্যদিকে ভূ-রাজনৈতিক সংঘাতের ফলে আন্তর্জাতিক সরবরাহ শৃঙ্খল (Supply Chain) নতুন করে বাধার মুখে পড়েছে, যা পরিবহনে বাড়তি ব্যয় তৈরি করছে।
খাদ্য শস্য ও পণ্যের পরিস্থিতি
বিশ্ববাজারে যে পণ্যগুলোর মূল্য ও চাহিদার ওপর সবচেয়ে বেশি প্রভাব পড়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে:
গম ও ধান: এশিয়া ও ইউরোপে প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে উৎপাদন হ্রাস পাওয়ায় খাদ্যশস্যের বৈশ্বিক সরবরাহ কমছে।
ভোজ্যতেল: পাম ও সয়াবিন তেলের প্রধান রফতানিকারক দেশগুলোতে রফতানি বিধিনিষেধ এবং জ্বালানির ঊর্ধ্বমুখী দাম প্রভাব ফেলছে।
দগ্ধ ও চিনি: আন্তর্জাতিক বাজারে উৎপাদন খরচ বাড়ায় এবং সরবরাহ কম থাকায় সামগ্রিক সূচক ঊর্ধ্বমুখী।
এক নজরে বৈশ্বিক খাদ্য সংকট চিত্র
| বিষয় | বিবরণ |
| সতর্কতাকারী সংস্থা | খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (FAO), জাতিসংঘ |
| ঝুঁকির প্রধান কারণ | প্রতিকূল আবহাওয়া, ভূ-রাজনৈতিক সংঘাত ও জ্বালানির উচ্চমূল্য |
| সর্বাধিক প্রভাবিত পণ্য | গম, চাল, ভোজ্যতেল ও দুগ্ধজাত পণ্য |
| আশঙ্কাজনক অঞ্চল | চরম আমদানিনির্ভর ও উন্নয়নশীল দেশসমূহ |
উন্নয়নশীল দেশ ও আমদানি খাতের ওপর প্রভাব
জাতিসংঘের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, খাদ্যপণ্যের মূল্যবৃদ্ধি সবচেয়ে বেশি আঘাত হানবে উন্নয়নশীল ও শস্য আমদানিনির্ভর দেশগুলোকে। এসব দেশে খাদ্য মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ করা কঠিন হয়ে পড়তে পারে, যা সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় আরও বাড়িয়ে দেবে।
পরিস্থিতি মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক খাদ্য বাণিজ্য পথ উন্মুক্ত রাখা, রফতানি নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার এবং কৃষ খাতে জরুরি বিনিয়োগ বাড়ানোর আহ্বান জানিয়েছে সংস্থাটি।
প্রতিবেদক:বিডিএস বুলবুল আহমেদ
| ফজর | 3:50 AM ভোর |
|---|---|
| যোহর | 12:04 দুপুর |
| আছর | 4:44 PM বিকাল |
| মাগরিব | 6:50 PM সন্ধ্যা |
| এশা | 8:17 PM রাত |
| জুম্মা | 1.30 pm দুপুর |