| বঙ্গাব্দ

ধনীরা যাকাত দিলে ১০ বছরে কোনো ভিক্ষুক থাকবে না: ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন

রিপোর্টারের নামঃ BDS Bulbul Ahmed
  • আপডেট টাইম : 02-03-2025 ইং
  • 5231574 বার পঠিত
ধনীরা যাকাত দিলে ১০ বছরে কোনো ভিক্ষুক থাকবে না: ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন
ছবির ক্যাপশন: ধনীরা যাকাত দিলে ১০ বছরে কোনো ভিক্ষুক থাকবে না

ধনীরা যাকাত দিলে দেশে ১০ বছরে কোনো ভিক্ষুক থাকবে না: ধর্ম বিষয়ক উপদেষ্টা ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন

দেশের ধর্ম বিষয়ক উপদেষ্টা ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন বলেছেন, দেশের ধনীরা যদি যাকাত দেন, তবে এক বছরে প্রায় এক লাখ কোটি টাকার তহবিল গঠিত হতে পারে। এই তহবিল যদি সঠিকভাবে বণ্টিত হয়, তবে আগামী ১০ বছরের মধ্যে দেশে কোনো ভিক্ষুক খুঁজে পাওয়া যাবে না।

রোববার (২ মার্চ) বাংলাদেশ ব্যাংকের কেন্দ্রীয় মসজিদে অনুষ্ঠিত এক আলোচনা সভায় তিনি এই মন্তব্য করেন। সভার বিষয় ছিল ‘রমজানের তাৎপর্য’। ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন আরও বলেন, “যাকাত শুধু আর্থিক সাহায্যের এক মাধ্যম নয়, বরং এটি দেশের দরিদ্র জনগণের জন্য একটি কার্যকর সমাধান। দেশের ধনীরা যদি যাকাত দেন, তবে সমাজের সুবিধাবঞ্চিত জনগণের জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন সম্ভব হবে।”

তিনি বলেন, “যদি প্রত্যেক ধনী ব্যক্তি কিছু পরিমাণে যাকাত প্রদান করেন, তবে এটি দেশের অর্থনৈতিক ব্যবস্থাকে একটি টেকসই ভিত্তিতে দাঁড় করাতে সাহায্য করবে এবং সমাজে বৈষম্য কমাতে পারে।”

ধর্ম বিষয়ক উপদেষ্টা আরও বলেন, “যারা দেশের সম্পদ লুট করে বিক্রি করে দেয়, তারা দেশদ্রোহী। তারা কখনো দেশপ্রেমিক হতে পারে না। এ ধরনের মানুষদের বিচার হওয়া উচিত, যাতে ভবিষ্যতে অন্যরা এমন অনৈতিক কর্মকাণ্ডের দিকে ঝুঁকতে না পারে। দেশের সম্পদ রক্ষা করতে হবে, অন্যথায় দেশ কখনো তার পায়ে দাঁড়াতে পারবে না।”

এ সময় তিনি সংযমের বিষয়ে গুরুত্ব দিয়ে বলেন, "রমজান মাসে শুধু পানাহার থেকে বিরত থাকা সংযমের মাপকাঠি নয়। ব্যবসা-বাণিজ্যেও সংযম দেখাতে হবে।" তিনি আরও বলেন, “মানুষকে জিম্মি করে অতিরিক্ত মুনাফা করা পাপ। যাদের মাঝে এ ধরনের প্রবণতা রয়েছে, তাদের এ থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানাচ্ছি।"

ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন ঘুষ ও দুর্নীতি প্রসঙ্গেও মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, “ঘুষের লোভে ফাইল আটকে রাখা বা অন্যায়ের সঙ্গে জড়িত হওয়া, দেশের উন্নয়ন এবং সুশাসনের জন্য ক্ষতিকর। এ ধরনের মানসিকতা থেকে বেরিয়ে আসতে হবে। রাষ্ট্রের সকল স্তরের মানুষের উচিত সৎভাবে কাজ করা।”

তিনি বলেন, “একজন সত্, ন্যায়পরায়ণ ও দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে সমাজ ও দেশের উন্নয়নে আমাদের অবদান রাখতে হবে।"

ধর্ম উপদেষ্টা আরো যোগ করেন, রমজান মাসের গুরুত্ব কেবল তার ধার্মিক তাৎপর্যেই সীমাবদ্ধ নয়, এটি মানুষের মধ্যে নৈতিক মূল্যবোধ ও সমাজসেবার অনুভূতি জাগ্রত করার একটি উত্তম সময়।

আরও পড়ুন

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
নামাজের সময়সূচী
জাতীয় সঙ্গীত
©সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ বাংলাদেশ প্রতিদিন সত্যের সন্ধানে সব সময় | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় BDS Digital Marketing Agency