| বঙ্গাব্দ

নয়াপল্টনে উত্তাল বিএনপি: মব রাজনীতি ও তারেক রহমানকে ঘিরে বিক্ষোভ সমাবেশ

রিপোর্টারের নামঃ BDS Bulbul Ahmed
  • আপডেট টাইম : 15-07-2025 ইং
  • 9422792 বার পঠিত
নয়াপল্টনে উত্তাল বিএনপি: মব রাজনীতি ও তারেক রহমানকে ঘিরে বিক্ষোভ সমাবেশ
ছবির ক্যাপশন: বিক্ষোভে উত্তাল নয়াপল্টন

নয়াপল্টনে বিএনপির মহাসমাবেশ: ষড়যন্ত্র, মব রাজনীতি ও তারেক রহমানকে ঘিরে উত্তাল প্রতিবাদ

প্রকাশিত: ১৫ জুলাই ২০২৫
লেখক: BDS Bulbul Ahmed বিভাগ: জাতীয় রাজনীতি


রাজধানীর নয়াপল্টন মঙ্গলবার বিকেলে রূপ নেয় প্রতিবাদের নগরীতে। ‘মব রাজনীতি’, ‘তারেক রহমানকে নিয়ে অপপ্রচার’ এবং মিটফোর্ড হত্যাকাণ্ডের দোষ চাপানোর ষড়যন্ত্র–এই তিন ইস্যু ঘিরে উত্তাল হয় পল্টন, শাহবাগ, কাকরাইল, মৎস্য ভবন, প্রেস ক্লাবসহ ঢাকা শহরের গুরুত্বপূর্ণ এলাকাগুলো।

বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা একযোগে শ্লোগানে জানান দেন—তারা এই দোষারোপ ও চক্রান্ত সহ্য করবেন না। ‘জামায়াত-শিবির-রাজাকার, এই মুহূর্তে বাংলা ছাড়’, ‘গুপ্ত হত্যা ও ষড়যন্ত্র বন্ধ কর’—এমন শ্লোগানে প্রকম্পিত হয় পুরো এলাকা।

ফখরুলের হুঁশিয়ারি: “এ নির্বাচন হবেই, ষড়যন্ত্র ব্যর্থ হবে”

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সমাবেশে বলেন:

“চক্রান্তকারীরা জনগণকে বিভ্রান্ত করতে মব তৈরি করছে। তারা চায় না ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে মানুষ ভোটাধিকার প্রয়োগ করুক। কিন্তু বিএনপি কোনো ফাঁদে পা দেবে না।”

তিনি আরও বলেন—

“তারেক রহমান আজ রাষ্ট্রকে টেনে তুলতে অর্থনীতি, কর্মসংস্থান ও গণতন্ত্রের জন্য কাজ করছেন। সেই সময়ে তার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে।”

তারেক রহমানকে ঘিরে প্রোপাগান্ডার প্রতিবাদ

ছাত্রদল ও যুবদলের অভিযোগ—মিটফোর্ড হত্যাকাণ্ডকে পুঁজি করে একদল “গুপ্ত সংগঠন” ছাত্র পরিচয়ে ক্যাম্পাসে মব তৈরি করছে। ছাত্রদল সাধারণ সম্পাদক নাসির উদ্দীন নাসির বলেন:

“যেসব শিক্ষার্থী সাধারণ বলা হচ্ছে, তারা আসলে পরিকল্পিতভাবে ছাত্রদলের বিরুদ্ধে মাঠে নামছে। শুধু তারেক রহমানকে টার্গেট করেই এই প্রোপাগান্ডা চালানো হচ্ছে।”

মির্জা আব্বাসের বক্তব্য: “চরমোনাই, জামায়াত ও এনসিপির সংশ্লিষ্টতা স্পষ্ট”

স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস বলেন:

“হত্যাকারী মাহিনের ছবি এনসিপি নেতাদের সঙ্গে, বিএনপির সঙ্গে নয়। ভিডিওটিও পরিকল্পিতভাবে বানানো।”

তিনি আরও বলেন—

“চরমোনাই পীর সাহেব ধর্মীয়ভাবে কোথা থেকে পাস করেছেন? যিনি ইলম ছাড়া বক্তৃতা দেন, তার কথার মূল্য কী?”

“জামায়াত এখন শুধু হাদিয়া নেয়, কথায় বড়। এরশাদের কাঁধে ভর করে এখন আমাদের পেছনে লেগেছে।”

ছাত্রদলের হুঁশিয়ারি

সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব বলেন:

“তারেক রহমানকে নিয়ে কুরুচিপূর্ণ স্লোগানের জবাব আমরা দিতে জানি। আগামীতে যদি ক্যাম্পাসে মব সৃষ্টির চেষ্টা হয়, তার দায় গুপ্ত সংগঠনকে নিতে হবে।”

নেতাকর্মীদের ব্যাপক শোডাউন

সমাবেশ ও মিছিলে বিপুলসংখ্যক নেতা ও কর্মী অংশ নেন। উপস্থিত ছিলেন:

  • আমিনুল হক (উত্তর বিএনপি)

  • রফিকুল আলম মজনু (দক্ষিণ)

  • মোস্তফা জামান ও তানভীর আহমেদ রবিন (সদস্যসচিব)

  • মির্জা আব্বাস, হাবিব-উন-নবী সোহেল, মীর সরফত সপু

  • ছাত্রদল, যুবদল, শ্রমিক দল, সাংস্কৃতিক জোটের নেতৃবৃন্দ

মিছিলটি পল্টন থেকে শুরু হয়ে মৎস্য ভবন, প্রেস ক্লাব, টিএসসি হয়ে শাহবাগে গিয়ে শেষ হয়।

রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট ও বিশ্লেষণ

এই বিক্ষোভ একটি গুরুত্বপূর্ণ সময়ে অনুষ্ঠিত হলো—যখন বিএনপি একদিকে তারেক রহমানকে ঘিরে চালানো প্রোপাগান্ডা মোকাবিলা করছে, অন্যদিকে ২০২৬ সালের নির্বাচনের প্রস্তুতি নিচ্ছে। দলটির নেতৃত্বে স্পষ্ট বার্তা—“বিএনপি ফিনিক্স পাখি, বারবার উঠে দাঁড়ায়”।

আরও খবর জানতে ভিজিট করুন: বাংলাদেশ প্রতিদিন

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
তাজা রোনাম: মধ্যপ্রাচ্যের তীব্র উত্তেজনা ও ইরান সংকট সত্ত্বেও বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম ১০০ ডলারের নিচে: নেপথ্যের বাজার বিশ্লেষণমেটা ডিসক্রিপশন: মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধাবস্থা ও ইরান সংকট সত্ত্বেও বৈশ্বিক বাজারে অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের দাম ব্যারেলে ১০০ ডলারের নিচে অবস্থান করছে। অর্থনৈতিক মন্দা ও উৎপাদন বৃদ্ধির নানা কারণ বিশ্লেষণ।অনলাইন ডেস্কমধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান সামরিক সংঘাত এবং ইরান কেন্দ্রিক চরম ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা সত্ত্বেও আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারে প্রতি ব্যারেল অপরিশোধিত তেলের দাম মনস্তাত্ত্বিক ১০০ ডলারের নিচেই স্থিতিশীল রয়েছে। চলতি সপ্তাহে লন্ডনের ব্রেন্ট ক্রুড এবং মার্কিন টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (WTI)—উভয় মানদণ্ডেই তেলের দর প্রত্যাশার চেয়ে কম সূচকে কেনাবেচা হতে দেখা গেছে। আন্তর্জাতিক জ্বালানি বিশ্লেষকদের মতে, বৈশ্বিক অর্থনৈতিক মন্দার আশঙ্কা, চাহিদার তুলনায় সরবরাহ বৃদ্ধি এবং প্রধান প্রধান অর্থনৈতিক পরাশক্তিগুলোতে জ্বালানি ব্যবহারের শ্লথগতির কারণে সরবরাহ শৃঙ্খলে বড় ধরনের ব্যাঘাত ঘটা সত্ত্বেও বাজারে তেলের দাম লাগামহীন হতে পারেনি।তেলের দাম না বাড়ার প্রধান অনুঘটকসমূহমধ্যপ্রাচ্যের স্পর্শকাতর পরিস্থিতির পরও আন্তর্জাতিক কমোডিটি এক্সচেঞ্জে তেলের দর প্রত্যাশার চেয়ে নিয়ন্ত্রণে থাকার পেছনে বিশ্ব অর্থনীতির কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ নিয়ামক কাজ করছে।চীন ও ইউরোপের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির গতি শ্লথ হওয়ায় জ্বালানি তেলের বিশ্বব্যাপী সার্বিক ব্যবহার আগের চেয়ে কমেছে। পাশাপাশি, ওপেক প্লাস (OPEC+) জোটের বাইরে থাকা দেশগুলোর অব্যাহত অতিরিক্ত উৎপাদন বাজারে চাহিদার ঘাটতি তৈরি হতে দেয়নি।দর নিয়ন্ত্রণে থাকার মূল কারণসমূহজ্বালানি বাজার বিশেষজ্ঞদের মতে, দর ব্যারেলে ১০০ ডলারের নিচে থাকার নেপথ্যে যেসব প্রধান কারণ রয়েছে:যুক্তরাষ্ট্র ও অপেক-বহির্ভূত দেশের উৎপাদন: যুক্তরাষ্ট্র, ব্রাজিল ও গায়ানার মতো দেশগুলোতে তেলের রেকর্ড পরিমাণ উৎপাদন বাজারের ভারসাম্য রক্ষা করছে।চীনের বাণিজ্যিক মন্দা: বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ তেল আমদানিকারক দেশ চীনে শিল্প উৎপাদন ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি প্রত্যাশার চেয়ে ধীরগতির হওয়ায় চাহিদায় ঘাটতি।মার্কিন সুদের হার ও সুদের প্রভাব: উচ্চ সুদের হারের কারণে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যিক মন্দার প্রভাব এবং অর্থনৈতিক স্থবিরতা তেলের দামে অতিরিক্ত চাপ তৈরিতে বাধা সৃষ্টি করেছে।এক নজরে আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজার পরিস্থিতিবিষয়বিবরণবাজার স্থিতিপ্রতি ব্যারেল তেলের দাম ১০০ ডলারের নিচেউত্তেজনার অঞ্চলমধ্যপ্রা

রোনাম: মধ্যপ্রাচ্যের তীব্র উত্তেজনা ও ইরান সংকট সত্ত্বেও বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম ১০০ ডলারের নিচে: নেপথ্যের বাজার বিশ্লেষণমেটা ডিসক্রিপশন: মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধাবস্থা ও ইরান সংকট সত্ত্বেও বৈশ্বিক বাজারে অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের দাম ব্যারেলে ১০০ ডলারের নিচে অবস্থান করছে। অর্থনৈতিক মন্দা ও উৎপাদন বৃদ্ধির নানা কারণ বিশ্লেষণ।অনলাইন ডেস্কমধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান সামরিক সংঘাত এবং ইরান কেন্দ্রিক চরম ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা সত্ত্বেও আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারে প্রতি ব্যারেল অপরিশোধিত তেলের দাম মনস্তাত্ত্বিক ১০০ ডলারের নিচেই স্থিতিশীল রয়েছে। চলতি সপ্তাহে লন্ডনের ব্রেন্ট ক্রুড এবং মার্কিন টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (WTI)—উভয় মানদণ্ডেই তেলের দর প্রত্যাশার চেয়ে কম সূচকে কেনাবেচা হতে দেখা গেছে। আন্তর্জাতিক জ্বালানি বিশ্লেষকদের মতে, বৈশ্বিক অর্থনৈতিক মন্দার আশঙ্কা, চাহিদার তুলনায় সরবরাহ বৃদ্ধি এবং প্রধান প্রধান অর্থনৈতিক পরাশক্তিগুলোতে জ্বালানি ব্যবহারের শ্লথগতির কারণে সরবরাহ শৃঙ্খলে বড় ধরনের ব্যাঘাত ঘটা সত্ত্বেও বাজারে তেলের দাম লাগামহীন হতে পারেনি।তেলের দাম না বাড়ার প্রধান অনুঘটকসমূহমধ্যপ্রাচ্যের স্পর্শকাতর পরিস্থিতির পরও আন্তর্জাতিক কমোডিটি এক্সচেঞ্জে তেলের দর প্রত্যাশার চেয়ে নিয়ন্ত্রণে থাকার পেছনে বিশ্ব অর্থনীতির কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ নিয়ামক কাজ করছে।চীন ও ইউরোপের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির গতি শ্লথ হওয়ায় জ্বালানি তেলের বিশ্বব্যাপী সার্বিক ব্যবহার আগের চেয়ে কমেছে। পাশাপাশি, ওপেক প্লাস (OPEC+) জোটের বাইরে থাকা দেশগুলোর অব্যাহত অতিরিক্ত উৎপাদন বাজারে চাহিদার ঘাটতি তৈরি হতে দেয়নি।দর নিয়ন্ত্রণে থাকার মূল কারণসমূহজ্বালানি বাজার বিশেষজ্ঞদের মতে, দর ব্যারেলে ১০০ ডলারের নিচে থাকার নেপথ্যে যেসব প্রধান কারণ রয়েছে:যুক্তরাষ্ট্র ও অপেক-বহির্ভূত দেশের উৎপাদন: যুক্তরাষ্ট্র, ব্রাজিল ও গায়ানার মতো দেশগুলোতে তেলের রেকর্ড পরিমাণ উৎপাদন বাজারের ভারসাম্য রক্ষা করছে।চীনের বাণিজ্যিক মন্দা: বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ তেল আমদানিকারক দেশ চীনে শিল্প উৎপাদন ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি প্রত্যাশার চেয়ে ধীরগতির হওয়ায় চাহিদায় ঘাটতি।মার্কিন সুদের হার ও সুদের প্রভাব: উচ্চ সুদের হারের কারণে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যিক মন্দার প্রভাব এবং অর্থনৈতিক স্থবিরতা তেলের দামে অতিরিক্ত চাপ তৈরিতে বাধা সৃষ্টি করেছে।এক নজরে আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজার পরিস্থিতিবিষয়বিবরণবাজার স্থিতিপ্রতি ব্যারেল তেলের দাম ১০০ ডলারের নিচেউত্তেজনার অঞ্চলমধ্যপ্রা

ফেসবুকে আমরা...
নামাজের সময়সূচী
জাতীয় সঙ্গীত
©সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ বাংলাদেশ প্রতিদিন সত্যের সন্ধানে সব সময় | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় BDS Digital Marketing Agency