ঢাকা, ৫ ফেব্রুয়ারি (বিশেষ প্রতিনিধি)
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভাষণের সময় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও বিভিন্ন অনলাইন প্ল্যাটফর্মে জুলাই অভ্যুত্থানের ছবি ও ভিডিও প্রচারের ঘোষণা দিয়েছে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের কর্মীরা।
তাদের দাবি, সরকার ইতিহাস বিকৃত করছে এবং গত ১৬ বছরে সংঘটিত গুম, খুন ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিষয়গুলো জনগণের সামনে তুলে ধরা জরুরি।
বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের এক কর্মী জানান,
“সরকার চাইলে গণতন্ত্রের লেবাস পরতে পারে, কিন্তু ইতিহাস লুকানো যাবে না। আমরা জনগণের সামনে সত্যের দলিল তুলে ধরব।”
তারা বলছেন,
জুলাই অভ্যুত্থানের ঘটনার ছবির পাশাপাশি ভুক্তভোগীদের বক্তব্যও প্রচার করা হবে।
ভিডিও এবং তথ্যচিত্র প্রকাশের মাধ্যমে জনগণকে ইতিহাসের প্রকৃত চিত্র দেখানো হবে।
এই প্রচার তাদের শান্তিপূর্ণ আন্দোলনের অংশ, যার উদ্দেশ্য সত্য উদ্ঘাটন।
সরকারপক্ষ থেকে এ বিষয়ে এখনও কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য আসেনি। তবে ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগের এক সিনিয়র নেতা মন্তব্য করেছেন,
“এটি জনগণকে বিভ্রান্ত করার একটি প্রচেষ্টা। অতীতের ভুল তথ্য ছড়িয়ে রাজনৈতিক অস্থিরতা তৈরি করাই তাদের লক্ষ্য।”
এদিকে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন,
“এ ধরনের প্রচার রাজনৈতিক উত্তেজনা আরও বাড়িয়ে তুলতে পারে এবং সামাজিক অস্থিরতা সৃষ্টি করতে পারে।”
এই প্রচারাভিযানের বিষয়ে সাধারণ মানুষের প্রতিক্রিয়া মিশ্র।
অনেকে বলছেন, ইতিহাস জানার অধিকার সবার আছে এবং তথ্য প্রকাশ হওয়া দরকার।
আবার কেউ কেউ মনে করছেন, এটি রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এবং দেশের স্থিতিশীলতা নষ্ট করতে পারে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ইতোমধ্যে এই ইস্যু নিয়ে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে।
| ফজর | 3:50 AM ভোর |
|---|---|
| যোহর | 12:04 দুপুর |
| আছর | 4:44 PM বিকাল |
| মাগরিব | 6:50 PM সন্ধ্যা |
| এশা | 8:17 PM রাত |
| জুম্মা | 1.30 pm দুপুর |